আমি/AMI

আমার শৈশব-কৈশোর। এক দুরন্তপনা। এক অপরিসীম সুখ সাগরে অবগাহন, স্মৃতির অনন্য খাজনা। শৈশব-কৈশোর একের মাঝে আরেক হারিয়ে যাওয়া।
বেলা বিস্কুট আর এক কাপ চা ছিল প্রিয় খাবার। বাবা খাবার যাই আনতেন একটা অংশ প্রথমেই আমার। যেমন দু’টো আখ আনলে একটা আমার।
খেলাধুলা দিয়েই শুরু শৈশব। কৈশোর পর্যন্ত যা গড়ায়। ভাত তরকারি খেলা দিয়ে শুরু। মিছে-মিছি ভাত ও তরকারি রান্না। ছোট ছোট বাটিতে সাজানো। মিছে-মিছি খাওয়ার ভাব করা।
খেলেছি এক্কা-দোক্কা, লাটিম, মার্বেল, ডাংগুলি, মোরগ লড়াই, পানি ছোড়াছোড়ি খেলা, লুকোচুরি খেলা, হা-ডুডু, ছি-বুড়ি, বিস্কুট খেলা কিছুই বাদ যায়নি বাড়ি, নানা বাড়ি সবখানে। কুস্তিও খেলতাম তবে নির্দিষ্ট দু’জনের সাথে (জামাল ও এজাহার), কারণ ওদের আমি প্রতিবারই হারাতাম। ব্যাডমিন্টন, কেরাম, ফুটবল, ক্রিকেটও চলতো। দৌঁড় প্রতিযোগিতায় একবার প্রথম হওয়াসহ চারটি খেলায় পুরস্কার পাই পঞ্চম শ্রেণিতে।
রেডিওতে খেলার ধারাবিবরণী বিশেষত ফুটবল ও ক্রিকেট, খুব প্রিয় ছিল। দেশের ও কলকাতার ফুটবল লীগের ও ভারত-পাকিস্তানের ক্রিকেটের ধারাবিবরণী শুনতাম। একাকি কিংবা বুলু কাকু ও সেলিম দাদাসহ, আবাহনী ও ঈষ্ট বেঙ্গলের সমর্থক।
রেডিওতে ক্রিকেট খেলার ধারাবিবরণী শোনার জন্য ছোট্ট রেডিওটা কখনো কখনো স্কুলে নিয়ে যেতাম। ক্রিকেট পাগল তখন থেকে আমি। ধারাবিবরণী শোনার জন্য কত পুরোদিন ব্যয় করেছি। শুনতে-শুনতে আনন্দও পেয়েছি।
খেলার রেকর্ড, ঢাকা প্রথম বিভাগ ক্রিকেট, টেষ্ট ক্রিকেট, ঢাকা প্রথম বিভাগ ফুটবলের ফলাফল, দেশের নায়ক-নায়িকার অভিনীত ছবির নাম- একটা ছোট খাতা বানিয়ে সংগ্রহে রাখতাম। রাজ্জাক অভিনীত একশ বিশটি ছবির নাম লিখেছি। এসব শখ বেশিদিন স্থায়ী হয়নি।
আমার শৈশব-কৈশোর। এক দুরন্তপনা। এক অপরিসীম সুখ সাগরে অবগাহন, স্মৃতির অনন্য খাজনা। শৈশব-কৈশোর একের মাঝে আরেক হারিয়ে যাওয়া।
বেলা বিস্কুট আর এক কাপ চা ছিল প্রিয় খাবার। বাবা খাবার যাই আনতেন একটা অংশ প্রথমেই আমার। যেমন দু’টো আখ আনলে একটা আমার।
খেলাধুলা দিয়েই শুরু শৈশব। কৈশোর পর্যন্ত যা গড়ায়। ভাত তরকারি খেলা দিয়ে শুরু। মিছে-মিছি ভাত ও তরকারি রান্না। ছোট ছোট বাটিতে সাজানো। মিছে-মিছি খাওয়ার ভাব করা।
খেলেছি এক্কা-দোক্কা, লাটিম, মার্বেল, ডাংগুলি, মোরগ লড়াই, পানি ছোড়াছোড়ি খেলা, লুকোচুরি খেলা, হা-ডুডু, ছি-বুড়ি, বিস্কুট খেলা কিছুই বাদ যায়নি বাড়ি, নানা বাড়ি সবখানে। কুস্তিও খেলতাম তবে নির্দিষ্ট দু’জনের সাথে (জামাল ও এজাহার), কারণ ওদের আমি প্রতিবারই হারাতাম। ব্যাডমিন্টন, কেরাম, ফুটবল, ক্রিকেটও চলতো। দৌঁড় প্রতিযোগিতায় একবার প্রথম হওয়াসহ চারটি খেলায় পুরস্কার পাই পঞ্চম শ্রেণিতে।
রেডিওতে খেলার ধারাবিবরণী বিশেষত ফুটবল ও ক্রিকেট, খুব প্রিয় ছিল। দেশের ও কলকাতার ফুটবল লীগের ও ভারত-পাকিস্তানের ক্রিকেটের ধারাবিবরণী শুনতাম। একাকি কিংবা বুলু কাকু ও সেলিম দাদাসহ, আবাহনী ও ঈষ্ট বেঙ্গলের সমর্থক।
রেডিওতে ক্রিকেট খেলার ধারাবিবরণী শোনার জন্য ছোট্ট রেডিওটা কখনো কখনো স্কুলে নিয়ে যেতাম। ক্রিকেট পাগল তখন থেকে আমি। ধারাবিবরণী শোনার জন্য কত পুরোদিন ব্যয় করেছি। শুনতে-শুনতে আনন্দও পেয়েছি।
খেলার রেকর্ড, ঢাকা প্রথম বিভাগ ক্রিকেট, টেষ্ট ক্রিকেট, ঢাকা প্রথম বিভাগ ফুটবলের ফলাফল, দেশের নায়ক-নায়িকার অভিনীত ছবির নাম- একটা ছোট খাতা বানিয়ে সংগ্রহে রাখতাম। রাজ্জাক অভিনীত একশ বিশটি ছবির নাম লিখেছি। এসব শখ বেশিদিন স্থায়ী হয়নি।……..

৳ 300

About The Author

সাইফুল আলম

সাইফুল আলম

বিদেশে ডাক্তারী পড়েছে ওরা। ছুটি পেয়েছে, মাত্র পনের দিনের-তবুও কত্তো পরিকল্পনা। কিন্তু হোলটা কি? শুরুতেই এভাবে সব পরিকল্পনা মাঠে মারা গেল। না, ছুটিটা ওরা মাটি হতে দিল না। থাকতেই যদি হবে দূর প্রবাসে, স্বজনদের ছেড়ে একা যদি ঈদ করতেই হবে, তাহলে তা আনন্দের সঙ্গেই হোক।
খুব ঘুরে বেড়ালো ওরা ইসলামাবাদ ও লাহোরে ছাড়া পাওয়া পাখির মতো, আর সব স্বদেশী পড়–য়া ভাইদের সাথে, খুঁজে পেয়েছে নতুন ঠিকানা।
উপন্যাসে উঠে এসেছে অনেক চরিত্র- বেশির ভাগই খুবই বাস্তব, প্রায় সবাই ছাত্র-বিদেশে পড়ছে।
অনেক ত্যাগ স্বীকার করে একটা ভিন্নতর পরিবেশে ভিন্নতর জীবন গড়ে তুলেছে। হোষ্টেলে-হোষ্টেলে কাটানো ওদের দিন রাত গুলোতে উঠে এসেছে কতো মজার অভিজ্ঞতা। আরো উঠে এসেছে মেয়েদের প্রতি ছেলেদের স্বাভাবিক আকর্ষণ ইত্যাদি ও পাকিস্তানে আটকে পড়া একজন সৈনিকের ছেলের স্মৃতিচারণে বন্দি শিবিরের কথা।
‘অন্তরা’ নায়ক ‘দীপের’ নায়িকা। বিচিত্র ভাবে প্রবাসের একাকীত্বের মাঝে ওর আগমন দীপের জীবনে চিঠির সূত্র ধরে। না দেখে ভালবাসার এক অনুপম চিত্র ও এর শেষ পরিণতি কি, উপন্যাস পাঠেই জানা যাবে।
প্রবাস জীবনের অভিজ্ঞতা সমৃদ্ধ এই উপন্যাসে ঔপন্যাসিক নায়ক দীপের অনুভূতি গুলো, দেখাগুলো, ক্ষণিকের ভাললাগা গুলো যেভাবে তুলে এনেছেন তা যেন আমাদেরই রোজকার দেখা। এই টানা পোড়েনের সংসার জীবনে, দুঃখ-দুর্দশা, হতাশা-গ্লানির মাঝে একটু স্বস্তির বাতাস যেন।

উপন্যাসটি প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল ফেব্রুয়ারি ১৯৯৩ সালে। প্রকাশের কিছুদিনের মধ্যেই দ্রুত পাঠকের কাছে পৌঁছে যায় এবং প্রকাশিত বই সমূহ স্বল্প সময়ের মধ্যে নিঃশেষ হয়ে যায়। পাঠকের ব্যাপক চাহিদা থাকা সত্ত্বেও লেখকের নানা ব্যস্ততার কারণে পুনঃ প্রকাশের উদ্যোগ নেয়া যায়নি। অবশেষে দীর্ঘ ২৭ বছর পর কিছু পরিমার্জনের মাধ্যমে নতুন আঙ্গিকে বলাকা প্রকাশন থেকে উপন্যাসটি প্রকাশিত হল ।

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “আমি/AMI”

Your email address will not be published. Required fields are marked *